মসজিদের কর্মচারী-
মহল্লার ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে মসজিদ পরিচালনার জন্য বামের প্রতিটি মসজিদে নিয়মিত কর্মী রয়েছে।
ইমাম: ইমাম হলেন মহল্লার আধ্যাত্মিক নেতা এবং প্রাথমিক ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ। দৈনিক পাঁচবার নামজে ইমামতি করার পাশাপাশি তিনি শুক্রবার জুমার নামাজ এবং দুই ঈদের নামাজের ইমামতি করেন এবং খুতবা (ধর্মোপদেশ )দেন। তিনি ধর্মীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং প্রায়ই সম্প্রদায়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি ২৪ ঘণ্টা মসজিদের খেদমতে নিয়োজিত থাকেন। তিনি ইসলামী ধর্মতত্ত্বে শিক্ষিত ।তাকে একটি নির্দিষ্ট সম্মানী প্রদান করা হয়। এছাড়াও তিনি মহল্লাবাসীর কাছ থেকে উদারহস্তে দান পান যা তাকে একটি সাধারণ জীবনযাপন করতে সহায়তা করে।তার জীবন আখেরাতের(পরকাল) জন্য ইসলামের সেবায় নিবেদিত।
মুয়াজ্জিন: মুয়াজ্জিনরা দিনে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের জন্য মহল্লাবাসীকে আহ্বান (আজান)করার জন্য নিয়োজিত। দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ এবং সাপ্তাহিক জুম্মার নামাজের নির্দিষ্ট সময়সূচী বজায় রাখার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। মুয়াজ্জিন পারিশ্রমিক পেয়ে থাকেন ।
মাদ্রাসা শিক্ষক: মসজিদগুলি মাদ্রাসা হিসাবেও কাজ করে এবং শিশুদের এবং প্রাপ্তবয়স্কদের ধর্মীয় শিক্ষা প্রদানের জন্য ইমাম ছাড়াও অন্য শিক্ষকদের নিযুক্ত করা হয়। তারা ইসলামী জ্ঞান ও মূল্যবোধের সঞ্চার নিশ্চিত করেন।
খাদিম (তত্ত্বাবধায়ক): মসজিদকে মুসল্লিদের (নামাজ আদায়কারি)জন্য মনোরম স্থান হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে খাদিম মসজিদের পরিচ্ছন্নতা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করেন। ছোট মসজিদে স্বেচ্ছাসেবকরা খাদিম হিসেবে কাজ করেন।খাদিম পারিশ্রমিক পেয়ে থাকেন ।
…………………………………………………………………………………………..
23.বামের বিভিন্ন
সমাজে ধর্মীয় বৈশিষ্ট ৪ঃজিয়াউদ্দিন
চৌধুরী
No comments:
Post a Comment