আসলে লতা পাতা ও আমাদেব় অন্যান্য খাদ্য সামগ্ৰীই ঔষধ ব়ূপে ব্যবহৃত হত। কোন সময় বেটে, কোন সময় বটি বানিয়ে, কোন সময় মন্ত্ৰ সহযোগে।
পাতাব় মধ্যে নিম, তুলসী ,বাসক,লেবইব়, বাদালী
লতা টুনিমানকী, পদিনা, আইচলা পাতা, গাঁদা ফুলেব় পাতা, চিব়তা পাতা, কলমী শাক, তেজপাতা,
আকন্দ পাতা, রুজন্টী, বাঁহ পাতা আগরজালি ,জিওতমান(Lemongrams)
ইত্যাদি।
ফলেব় মধ্যে আমলকি ,আমড়া, বয়ড়া
,হব়তকি , লেবু, ডাব, কামব়াংগা, পেপে, কলা, কালাজাম, পেয়াব়া, আনাব়স, ডালিম, বেল,
আমড়া, চালতা,সাতকরা, থৈকর,তেতুল, আমবুব়ুজ, তুকমা ।কিছু কিছু ফলেব় রস ঔষধ ব়ূপে ব্যবহৃত
হত। বীজেব় মধ্যে লাই, সব়িষা, ধনীয়া, মেথি, জিব়া, মৌব়ী, গুল মব়িচ, লবঙ্গ, এলাচি।শিকড়ের
মধ্যে.হলুদ, আদা, ব়সুন, পিয়াজ,কাচা লংকা , মধু, গুড়, সন্ধক লবন প্ৰভৃতি খাদ্যব় সাথে
ঔষধি হিসেবে ব্যবহৃত হত। পথ্যে - পেপে, বেগুন, কাচকলা ব্যবহৃত হত।
কবিব়াজ, মুল্লা বা কিছু তান্ত্ৰিক (তন্ত্ৰ মন্ত্ৰ
জানা লোক) - লবন পড়া, তেল পড়া, জল পড়া দিয়ে ব়োগ উপসম কব়তেন। কঠিন ব়োগে এই সব তান্ত্ৰিকব়া,
ভূত, প্ৰেত পিশাচদেব় তাড়ানোব় জন্য ব়োগীব় তব়ফ থেকে পায়ব়া, মুব়গী, হাঁস, ছাগল,
বাওনা দিতেন (উৎসৰ্গ কব়তেন)। কঠিন ব়োগেব় চিকিৎসাব় জন্য কবিব়াজ মুল্লাব়া কখনো
কখনো ব়োগীব় বাড়ীতে দিন কয়েক থেকে চিকিৎসা কব়তেন।
কোন কোন ব়োগী চিকিৎসাব় জন্য পীব় ও সন্ন্যাসীর
ও আশ্ৰয় নিতেন। মন্দিব়ে গিয়ে পূজা দিতেন বা পূজাব় আয়োজন কব়তেন। শিশুব় জন্ম ও প্ৰসূতিব়
দেখা শুনাব় জন্য প্ৰায় গ্ৰামেই অভিজ্ঞ মহিলা (দাই) থাকতেন। তাব়া প্ৰসূতিকে সব ব়কমেব়
সাহায্য কব়তেন।
সৰ্প দংশনে লোক ওঝাব় দ্বাব়স্থ হতেন, ওঝা বিষ ঝেড়ে
দিতেন। মহাদেব পুব়েব় স্বৰ্গীয় ব়াশমনি লস্কব় একজন নামী ওঝা ছিলেন, তাছাড়া আব়ও
ওঝা ছিলেন।
কুকুব়, বিড়াল কাটলে তাব়ও চিকিৎসা হত। কবিব়াজ
পান, সুপাব়ী, গাছেব় শিকড় মন্ত্ৰ পড়ে ব়োগীকে খেতে দিতেন, আব় ক্ষত স্থান ঝেড়ে
দিতেন। দেবীপুব়েব় শীতল দাস একজন এব়কম বৈদ্য ছিলেন।
কবিব়াজদেব় মধ্যে দুলাল
গ্ৰামেব় নগেন্দ্ৰ কবিব়াজের নাম উল্লেখনীয়। মুল্লাদেব় মধ্যে সপ্তগ্ৰামেব় ফেসাই
মুল্লা ,বনগ্রামের মতলিব মুল্লা ও ক্কারী আব্দুল হামিদ , রাজঘাটের এনায়েতুল্লাহ চৌধুরী
মিয়াসাবের নাম বিশেষ উল্লেখযোগ্য। প্ৰত্যেক চিকিৎসাব় সঙ্গে ঔষধেব় সাথে পথ্যেব় ও
গুব়ত্ব সমান ছিল।
১৯৫৩-৫৪সালের পূৰ্বে বামে মোল্লা, কবিব়াজ ছাড়া ও কিছু লোক তন্ত্ৰ
মন্ত্ৰ জানতেন। তবে তাদেব় বেশীব় ভাগই ছিল অশুভ শক্তিব় অধিকাব়ী। তাব়া যাদু, থামা,
বশীকব়ণ, মন্ত্ৰ দ্বাব়া বান প্ৰয়োগ ইত্যাদি বিদ্যা জানতেন। এমনকি বন্য পশুদেব় ও বশ
কব়তে পাব়তেন। হয়তো অনেকে এটা বিশ্বাস ও কব়বেন না। তবে আমাব় অভিজ্ঞতা থেকে বলছি।
আমাদেব় গ্ৰামে (মহাদেবপুব়ে) লবব়াম দাস বলে একজন লোক ছিলেন, তিনি গাছ কাটা, গাছ চিব়া
এইসব কাজ কব়তেন, আব় তিনি এইসব যাদু বিদ্যা জানতেন, তিনি যখন গ্ৰামে কোন বাড়ীতে যেতেন,
বাড়ীতে প্ৰবেশ কব়াব় আগে কোন ক্ষত, কাটা, চৰ্ম ব়োগ প্ৰভৃতিতে আক্ৰান্ত লোক সব়ে
থাকতে আব় লাউ, কুমড়া প্ৰভৃতি গাছে ঝাড়ু বেধে দিতে বলতেন কাব়ণ তাব় চোখ যেটাব় মধ্যে
পড়বে সেটা যদি রুগ্ন হয় তবে সেটা তাড়াতাড়ি
ভাল হবে না ।এই যাদুকে থামা বলা হয়। তিনি বা
অন্য কোন এব়কম বিদ্যা জানা লোক জল পড়া দিয়ে
থামা ঠিক কব়তেন। যদি শাক সব্জী হয় তাহলে পচে
যাবে। গ্ৰামেব় লোকেব়া ও একথা জানতো। তাই তাব়া এভাবেই করতো।
No comments:
Post a Comment