স্কুল স্থাপনেব় পূৰ্বে হিন্দুদেব় শিক্ষাব় জন্য ছিল '' টোল'' আব় মুসলমানদেব় মধ্যে ছিল '' মাদ্ৰাসা''। মুসলিম শিশুদের শিক্ষার জন্য বামে ১৯১৭ সালে রাজঘাট গ্রামে শতাব্দী পুরাতন দারুল ফয়েজ মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এইগুলি ছিল ধৰ্ম ভিত্তিক। তাই শাস্ত্ৰ, চরিত্র গঠন এইসব পড়ানো হত। তবে ঐ সময় বামে কোন টোল ছিল না। ব্ৰাহ্মণব়া নিজেদেব় বাড়ীতে তাদেব় ছেলে মেয়েদেব় শিক্ষা দান কব়তেন। কিছু কিছু লোক বাড়ীতে নিজেদেব় ছেলে মেয়েদেব় শিক্ষা দিতেন আব় তাব় মধ্যে পাড়া প্ৰতিবেশীদেব় ইচ্ছুক ছেলে মেয়েদেব় পড়াতেন। মহাদেবপুব়েব় মটনব়াম দাস হাইলাকান্দিতে শিক্ষক ছিলেন। অৱসব় প্ৰাপ্ত হওয়াব় পব় তিনি বামে আসেন এবং কিছু ছেলে মেয়েদেব় বাড়ীতে পড়াতে শুব়ু কব়েন।
তবে বামে আধুনিক বিদ্যালয় শিক্ষার সূচনা শিলচর শহরের নিকটবর্তী উন্নত ও অগ্রসর অঞ্চলের তুলনায় বেশ আগেই হয়েছিল। ১৮৯৫ সালে বামে তিনটি নিম্ন প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর ১৯২২ সালে বাম নিত্যানন্দ এম.ই. স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়, যা ১৯৩৮ সালে উচ্চ বিদ্যালয়ে উন্নীত হয় এবং বর্তমানে এটি 'বাম নিত্যানন্দ মাল্টিপারপাস হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল' নামে পরিচিত। এই বিদ্যালয় আধুনিক শিক্ষার আলো দিয়ে বামকে আলোকিত করেছে।
বাম নিত্যানন্দ হাই স্কুল গঠনে ততানিন্তন ছাত্রদের ও অবদান ছিল অপরসীম ।ছাত্ররা দূর দুরান্তের গ্রামে গ্রামে গিয়ে স্কুলের জন্য চাঁদা সংগ্রহ করতেন। ধান ই চাঁদা হিসাবে প্রদত্ত করা হত। ছাত্ররা এই ধান বহন করে স্কুলে নিয়ে আসতেন। তাছাড়া চা বাগানে ও অন্যান্য স্থানে তাহারা খেলা ধুলা প্রদর্শন করে টাকা সংগ্রহ করতেন স্কুলের জন্য এবং এই অর্থ স্কুল উন্নয়নের জন্য ব্যয় করা হত।১৯৬১ সনের ভাষা আন্দোলনে স্কুলের ছাত্র ছাত্রী ছাড়াও গ্রামের লোকেরা আসামে বাংলা ভাষাকে রাজ্য ভাষার মর্যাদার জন্য সক্রিয় ভাবে যোগদান করে।
…………………………………………………………………………………………………….
No comments:
Post a Comment