বামের নতুন বসতি
স্থাপনকারীরা, যারা কাছাড়ের গ্রামীণ এলাকা থেকে এসেছিলেন, তাদের ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতার
অভাব ছিল। প্রাথমিকভাবে ধলাইবাজারে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালিত হত বামে প্রথম পর্যায়ে
আসা কিছু ব্যবসায়ী পরিবার দ্বারা, যারা সুদূর বরিশাল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং সিলেট
থেকে এসেছিলেন। ভাগাবাজারে ঢাকা থেকে আগত কয়েকজন ব্যবসায়ী ছিলেন, কিন্তু ভারত বিভাগের
পর তারা চলে যান। ধলাইবাজারের কিছু ব্যবসায়ী পরিবার, যেমন ধীরু পাল এবং রাকেশ পাল,
ভাগাবাজারে স্থায়ী মুদির দোকান এবং কাপড়ের দোকান প্রতিষ্ঠা করেন এবং খুব সফল হন।
অনেক গ্রামবাসী তাদের কাছ থেকে বাকিতে পণ্য কিনতেন এবং চৈত্র মাসের ৩০ তারিখে তাদের
দেনা পরিশোধ করতেন। বার্ষিক হিসাব মিটানোর সময়, তারা উদারভাবে তাদের দেনাদারদের আপ্যায়ন
করতেন এবং তাদের আনুগত্য বজায় রাখতেন। এছাড়া, ধলাইবাজারের অনেক খুচরা বিক্রেতা সাপ্তাহিক
বাজারের দিনে ভাগাবাজারে এসে তাদের পণ্য বিক্রি
করতেন।
ধলাইতে বাজাব় বসতো প্ৰতি সোমবাব় ও বৃহস্পতিবাব়ে আব় ভাগায় বাজাব় বসতো প্ৰতি মঙ্গলবাব় ও শনিবাব়ে। ছোট ছোট ‘বাছই’ ঘর কব়ে ব্যবসায়ীব়া ভূষিমাল, মনোহাব়ী জিনিষ, কাপড় জোতা প্ৰভৃতিব় দোকান বসাতো আব় শাকসব্জী, চাউল, মাছ প্ৰভৃতিব় বাজাব় ফাকা খোলা জায়গায়। সন্ধ্যাবেলায় দোকানে দোকানে মশাল জ্বালানো হত। এই মশাল শুধু হাট বাজাব়ে নয় ব়াত্ৰে কোথাও যেতে হলে এই মশাল ব্যবহাব় হত। কিছু কিছু হাব়িকেন ও ব্যবহাব় কব়া হত।
এই সময় ব়াত্ৰিতে মাটি, লোহা ও পিতলেব় তৈব়ী কুপি লেম (লেম/বাতি) ব্যবহার কব়া হত। এইসব লেম রাখার
জন্য কাঠ দিয়ে গাছা (lamp stand) তৈব়ী কব়া হত। তখনকাব় দিনে অত্যন্ত জব়ুব়ী জিনিষেব় মধ্যে ছিল লবন, কেব়োসিন আব় দেশলাই।প্ৰয়োজনবোধে মহিলাব়া এই তিনটি জিনিষ ধাব় ও কব়তেন। লবন ধাব়েব় মাধ্যম ছিল কাপ বা তামাকেব় ছিলিম, কেব়োসিনেব় জন্য টিনেব় ডিব্বা আব় দেশলাইয়েব় কাষ্টি গনা । এখন এসব কথা শুনলে মুখে হাসি পায় কিন্তু ঐ সময় এব়ূপইছিল।
…………………………………………………………………………
No comments:
Post a Comment