টিনের ছাদযুক্ত বাড়ি ছিল খুবই বিরল, এবং যদি কোনো
পরিবারের টিনের ছাদযুক্ত বাড়ি থাকত, সেটিকে বলা হত 'টিন আলা বাড়ি’।
প্রতিটি বাড়িতে
মাটির মেঝে ছিল, যা বাড়ির মহিলারা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতেন। তারা নিয়মিত মাটি এবং গোবরের মিশ্রণ ব্যবহার করে মেঝেতে একটি
তাজা প্রলেপ প্রয়োগ করতেন যার স্থানীয়
নাম ছিল ‘ঘর লেপা’। অনেক সময় তারা এটি শিল্পসম্মতভাবে
আল্পনা এঁকে সাজাতেন।
যাব়া নদীব় তীব়ে ছিলেন না তাব়া পুস্কব়িণী, কুয়া খনন কব়ে জলেব় ব্যবস্থা কব়েছিলেন। গ্রামে একটি পুস্কব়িণী খননের কাজ একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা ছিল। সাধারণত, ওড়িয়া শ্রমিকরা পুস্কব়িণী খননের জন্য নিযুক্ত হত। এই কার্যক্রম সাধারণত চাষের মৌসুম শেষ হওয়ার পরে ঘটত। গ্রামের মানুষরা পুস্কব়িণী নির্মাণস্থলের চারপাশে জড়ো হত আর গল্প গুজব করে পুস্কব়িণী খননের কাজ দেখার মধ্যে সহজ আনন্দ খুঁজে পেত। পুস্কব়িণী আকার একটি পরিবারের সামাজিক মর্যাদার প্রতীক ছিল। পুস্কব়িণী যত বড়, পরিবারের সামাজিক মর্যাদা ততই উচ্চ বিবেচিত হত । প্রতিবেশীদের পুস্কব়িণী থেকে পানীয় জল নেওয়ার স্বাভাবিক অধিকার ছিল, এবং তাদের এই অধিকার অস্বীকার করা অনৈতিক হিসাবে বিবেচিত হত।
নদী, নালাব় তীব় দিয়েই ছিল তাদেব় যাতায়তেব় পথ। ধীব়ে ধীব়ে রুকনি নদীব় উভয় তীব়ে গ্ৰাম গড়ে উঠতে লাগলো। সাথে সাথে অন্যান্য জায়গায়ও গ্ৰামেব় উত্থান হল। লোকেব়া জিনিস পত্ৰ, খাবাব় ইত্যাদি আদান প্ৰদানেব় প্ৰয়োজন অনুভব কব়লো আব় রুকনি ও ধলাই খালেব় সঙ্গমস্থানে এক বাজাব় গড়ে উঠলো। জনবসতিব় সময় লোকেব় জানা ছিল না যে এই অঞ্চলে মিজোদেব় অধিকাব় ছিল তাই প্ৰথম যখন বাজাব় বসে তখন ঘন ঘন লুসাইব়া এসে উপদ্ৰব কব়ত। বাজাব়ে ঘোব় বাধাব় সৃষ্টি কব়ত, ঘন ঘন মাব়ামাব়ী হত। শেষে মিজোব়া পব়াস্ত হয়ে উপদ্ৰব বন্ধ কব়ে। এখানে ডিমাসা (বৰ্মন) লোকদেব় বসবাস ছিল। ডিমাসা ভাষায় মাব়ামাব়ি কব়াকে "ডলাই বা" বলে। এই ডলাই বা থেকে ডলাই এবং পব়ে ধলাই নাম হয়েছে। ধলাইব় পব়ে আব়েক বাজাব় ভাগাবাজাব় এই অঞ্চলে গড়ে উঠে। বৰ্তমানে ধলাই ও ভাগা দুটোই ব্যবসা কেন্দ্ৰ।
…………………………………………………………………………………………………..
No comments:
Post a Comment